শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:২২ পূর্বাহ্ন

জামালপুরে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামীসহ যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৬ আসামীর আত্মসমর্পণ

সংবাদদাতার নাম
  • প্রকাশ সময় : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮৬ দেখেছেন

এম.শাহীন আল আমীন।।
জামালপুরে ভাতিজা মমিন হত্যা মামলায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত আসামী চাচাসহ যাবজ্জীবন সাজা প্রাপ্ত ৬জন আদালতে আত্মসমর্পণ করে। রবিবার আসামী পক্ষের আইনজীবী মোকাম্মেল হক জানান, আসামীরা ন্যায় বিচার পাইনি। ন্যায় বিচার পাবার প্রত্যাশায় উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে তাই আদালতে আত্ম সমর্পণ করেছেন।

জামালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে চাচার হাতে ভাতিজা হত্যা মামলায় অর্থদন্ডসহ এক আসামির ফাঁসি ও ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দেন বিজ্ঞ আদালত।
৯ সেপ্টেম্বর জেলা দায়রা জজ আদালতে পলাতক সব আসামির বিরুদ্ধে দায়রা জজ মো. জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন।

ফাঁসির দন্ড-প্রাপ্ত আসামি হলেন জামালপুর সদর উপজেলার কুমারগাতী এলাকার মৃত তোরাপ প্রামাণিকের ছেলে আনছার আলী প্রামাণিক (৪০)। তার বিরুদ্ধে ৩০২ ধারার অপরাধে ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ডসহ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ওই এলাকার মৃত তোরাপ প্রামাণিকের ছেলে কলম প্রামাণিক (৪৫), কলম প্রামাণিকের ছেলে শাহীন (২৩) ও সাইদুল (১৯), কলম প্রামাণিকের স্ত্রী শাইবানু (৪০) ও আনছার আলী প্রামাণিকের স্ত্রী শাবজান (৩৩)।

মামলার বিবরণে প্রকাশ, পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে কুমারগাতী এলাকার মৃত তোরাপ প্রামাণিকের ছেলে মো. আ. রইচের সাথে তার ভাইদের সাথে বিরোধ চলছিল। বিরোধ নিয়ে ২০০৭ সালের ১৬ জুন চাচা আনছার আলী প্রামাণিক আ. রইচের ছেলে ভাতিজা মমিনের সাথে ঝগড়া বাধায়। ঝগড়ার একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রইচের বাড়িতে হামলা চালায় আসামিরা।

আনছার আলী তার হাতে থাকা কুড়াল দিয়ে মমিনের মাথায় কোপ দেন। অন্য আসামিরা লাঠি দিয়ে মমিনের মাথাসহ সারা শরীরে আঘাত করে তাকে ধরাশায়ী করেন। গুরুতর আহত মমিন (২২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০০৭ সালের ১৮ জুন মারা যায়।

জনস্বার্থে নিউজটি শেয়ার করুন -

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরীতে আরোও সংবাদ
Copyright BY

themesba-lates1749691102